সবাই বলে জীবন নাকি সুন্দর। উপভোগ্য জীবন সবার হয় না। এটা প্রথমেই অনুমান বা রিয়েলাইজ করে নিতে হয়। অনেকের সামর্থ্য থাকলেও আবার ভাগ্যে কূলায় না। এই বিশেষ প্রকারের ভাগ্য নিয়েই কিছু আলোচনা। মানুষ নাকি ভাগ্য সঙ্গে করেই নিয়ে আসে। তবে এ নিয়ে আর কি কথা থাকতে পারে। হ্যাঁ জীবন একটি হলেও কথা থাকে জীবনে নানা ধরনের। সবাই একই ধরনের কথামালা একটি বিশেষ ভঙ্গিতে একমাত্র নিজের কথাগুলোই বলতে চায় না। চাইছেও না। বরং নিজের না বলা কথাগুলি সবাই গোপন করতেই তৎপর হয় বেশী। শহর ভিত্তিক জীবন তাদের এই চাহিদা পূরন করে চলছে নানাবিধ উপায় আয়োজন এবং বিধিনিষেধের বেড়াজলে। পরিস্থিতি কখনও এতদূর গড়ায় যে নিজের দোষত্রুটি গুলি বেমালুম ভুলে গিয়েই পরচর্চায় মত্ত হয় মানুষ।
এখানে রাজনৈতীক আলোচনা করা নিষেধ। উদাস নয়নে অতীতের দিকে তাকালেই চোখটা কেন জানি ঝলসে যায়। কেন অন্ধকারেও আলোর এই ঝলকানি দেখছি। কোন নক্ষত্র কি খসে পড়ে তবে ঘরের আঙ্গীনায় এসে গেছে। পৃথিবীতে সততার কোনই মাপকাঠি নাই যতক্ষন পর্যন্ত না তার সপক্ষে প্রমান থাকে। অথবা সত্যতার পক্ষে কোন না কোন দলীলের মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত দাখিল করা না হচ্ছে। এইভাবে সততা ও সত্য এই দুইটি গুনাবলী আরোপিত বা উপায়ন্তর সাপেক্ষ।এই উপায়ের একটি আবার অন্যটির পরিপূরক হয় বিধায় অর্থাৎ সৎ মানুষ বলতে প্রকৃত কোন বাস্তব চিত্রে কোন উদাহরন মানুষের কাছে হাজির করলেও অন্যটির পক্ষে সন্তোষের মাত্রায় তবু ঘাটতি হয় কিংবা অভাব ঘটতে পারে। সাধারন মানষে এজন্য কোন এক সময়ে এটাও অগ্রহনযোগ্যতায় পরবর্তিতে অসহিষ্ণুতায় পর্যবসিত হতে পারে। মানব মনের বিচার করার ক্ষমতাকে উপেক্ষা করা একটি ভয়ানক অপরাধ বলা যায়।মানুষের বিচার ক্ষমতা এই বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে যে কোন সমাজের ক্ষেত্রে মানব মনের গতিবিধিকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষন করতে হলে। সামাজিক গঠনে বেশ কিছু উপাদান খুব আবশ্যকীয় ভাবে উপলব্ধ। পাশ্চাত্য এবং প্রাতীচ্য উভয়েরই এক্ষেত্র সামঞ্জস্...