এখানে রাজনৈতীক আলোচনা করা নিষেধ। উদাস নয়নে অতীতের দিকে তাকালেই চোখটা কেন জানি ঝলসে যায়। কেন অন্ধকারেও আলোর এই ঝলকানি দেখছি। কোন নক্ষত্র কি খসে পড়ে তবে ঘরের আঙ্গীনায় এসে গেছে। পৃথিবীতে সততার কোনই মাপকাঠি নাই যতক্ষন পর্যন্ত না তার সপক্ষে প্রমান থাকে। অথবা সত্যতার পক্ষে কোন না কোন দলীলের মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত দাখিল করা না হচ্ছে। এইভাবে সততা ও সত্য এই দুইটি গুনাবলী আরোপিত বা উপায়ন্তর সাপেক্ষ।এই উপায়ের একটি আবার অন্যটির পরিপূরক হয় বিধায় অর্থাৎ সৎ মানুষ বলতে প্রকৃত কোন বাস্তব চিত্রে কোন উদাহরন মানুষের কাছে হাজির করলেও অন্যটির পক্ষে সন্তোষের মাত্রায় তবু ঘাটতি হয় কিংবা অভাব ঘটতে পারে। সাধারন মানষে এজন্য কোন এক সময়ে এটাও অগ্রহনযোগ্যতায় পরবর্তিতে অসহিষ্ণুতায় পর্যবসিত হতে পারে।
মানব মনের বিচার করার ক্ষমতাকে উপেক্ষা করা একটি ভয়ানক অপরাধ বলা যায়।মানুষের বিচার ক্ষমতা এই বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে যে কোন সমাজের ক্ষেত্রে মানব মনের গতিবিধিকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষন করতে হলে। সামাজিক গঠনে বেশ কিছু উপাদান খুব আবশ্যকীয় ভাবে উপলব্ধ। পাশ্চাত্য এবং প্রাতীচ্য উভয়েরই এক্ষেত্র সামঞ্জস্য পাওয়া যায়। ন্যায় কিংবা সততা এই দুইটি বিষয়ের মধ্যে ন্যায়ের পক্ষেই সবচাইতে অধিক মাত্রায় জোরালো যুক্তি দেখতে পাওয়া যায় আমাদের সমাজ বাস্তবতায়।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন